ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘অতীত নয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হয়েছে’

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৯ বার পড়া হয়েছে

অতীত নয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অতীতের কোনো বিষয় নিয়ে কথা হয়নি। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছি। সামনের দিকে সম্পর্ককে কীভাবে আরও সুদৃঢ় করব সেটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

সাবের হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ও আমেরিকার যে সম্পর্ক আছে; আগামী দিনে এটাকে কীভাবে আরও এগিয়ে নিতে পারি এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবে যে বিষয়গুলোতে আমাদের অবস্থান ভিন্ন, যেমন জলবায়ু পরিবর্তন ও সেটার অভিঘাত মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও আমেরিকা আরও কীভাবে কাজ করতে পারে, মূলত আমরা সেটা নিয়ে আলাপ করেছি।

তিনি বলেন, যখনই আমরা জলবায়ু নিয়ে কথা বলি; পরিবেশের বিষয়টা চলে আসে। আমাদের আগামী দিনের যে সহযোগিতা, সেটাকে আমরা একটা কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করব। আমাদের ওয়ার্কিং গ্রুপের মতো কিছু একটা থাকতে পারে। আমরা তিন, চার অথবা পাঁচ বছরের একটা কর্মসূচি নেব। প্রতিবছর সেই কর্মসূচির অধীনে আমরা কী কী কাজ করব, সেটা থাকবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের যে বিষয়টা আছে, সেখানে বিশেষ করে বিশ্ব ব্যাংক আছে, এডিবি আছে, আগামী দিনে তারা কীভাবে অর্থায়ন করবে জলবায়ুতে, সেটা একটা বড় বিষয়। কেননা, আমরা যদি প্যারিস চুক্তির আলোকে দেখি সেখানে চাহিদাটা ছিল বিলিয়ন ডলারের। এখন চাহিদা চলে যাচ্ছে ট্রিলিয়ন ডলারে। বিশাল এই অর্থ তো কোনো সরকারের কাছ থেকে আসবে না। আসবে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাত থেকে।

এ সময় এক প্রশ্নের জাবাবে মন্ত্রী বলেন, দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কিছু বিষয় আছে যার একটা স্থায়িত্ব থাকে। আবার কিছু কিছু বিষয় তৈরি হতে পারে যেটা বিশেষ একটা প্রেক্ষাপটে। আমরা আজ যেটা আলাপ করেছি আমাদের যে মৌলিক বিষয়গুলো আছে, যেগুলো আমরা মনে করি অভিন্ন, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।

সাবের হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে তাদের একটা দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তাদের হয়ত কিছু অস্বস্তি ছিল; কিন্তু সেটা তো আমাদের মধ্যে ছিল না। আমরা আমাদের নির্বাচন করেছি। সেটা ওই সময়ের জন্য তাদের একটা অবস্থান ছিল। আমি এভাবে দেখি। এখন তো ওই পর্বটা নেই। আবার ইলেকশন হবে ৪ বা সাড়ে ৪ বছর পরে। এখন তো ইলেকশনের বিষয়টি এ আলোচনায় ভ্যালিডেড না। আর আমি প্রথমেই বলেছি, আমরা সামনের দিকে কীভাবে আমাদের সম্পর্কটাকে আরও সুদৃঢ় করব, সেটা নিয়েই মূলত আলোচনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘অতীত নয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হয়েছে’

আপডেট সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

অতীত নয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অতীতের কোনো বিষয় নিয়ে কথা হয়নি। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছি। সামনের দিকে সম্পর্ককে কীভাবে আরও সুদৃঢ় করব সেটা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (১৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

সাবের হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ও আমেরিকার যে সম্পর্ক আছে; আগামী দিনে এটাকে কীভাবে আরও এগিয়ে নিতে পারি এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবে যে বিষয়গুলোতে আমাদের অবস্থান ভিন্ন, যেমন জলবায়ু পরিবর্তন ও সেটার অভিঘাত মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও আমেরিকা আরও কীভাবে কাজ করতে পারে, মূলত আমরা সেটা নিয়ে আলাপ করেছি।

তিনি বলেন, যখনই আমরা জলবায়ু নিয়ে কথা বলি; পরিবেশের বিষয়টা চলে আসে। আমাদের আগামী দিনের যে সহযোগিতা, সেটাকে আমরা একটা কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করব। আমাদের ওয়ার্কিং গ্রুপের মতো কিছু একটা থাকতে পারে। আমরা তিন, চার অথবা পাঁচ বছরের একটা কর্মসূচি নেব। প্রতিবছর সেই কর্মসূচির অধীনে আমরা কী কী কাজ করব, সেটা থাকবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের যে বিষয়টা আছে, সেখানে বিশেষ করে বিশ্ব ব্যাংক আছে, এডিবি আছে, আগামী দিনে তারা কীভাবে অর্থায়ন করবে জলবায়ুতে, সেটা একটা বড় বিষয়। কেননা, আমরা যদি প্যারিস চুক্তির আলোকে দেখি সেখানে চাহিদাটা ছিল বিলিয়ন ডলারের। এখন চাহিদা চলে যাচ্ছে ট্রিলিয়ন ডলারে। বিশাল এই অর্থ তো কোনো সরকারের কাছ থেকে আসবে না। আসবে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাত থেকে।

এ সময় এক প্রশ্নের জাবাবে মন্ত্রী বলেন, দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের কিছু বিষয় আছে যার একটা স্থায়িত্ব থাকে। আবার কিছু কিছু বিষয় তৈরি হতে পারে যেটা বিশেষ একটা প্রেক্ষাপটে। আমরা আজ যেটা আলাপ করেছি আমাদের যে মৌলিক বিষয়গুলো আছে, যেগুলো আমরা মনে করি অভিন্ন, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।

সাবের হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে তাদের একটা দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তাদের হয়ত কিছু অস্বস্তি ছিল; কিন্তু সেটা তো আমাদের মধ্যে ছিল না। আমরা আমাদের নির্বাচন করেছি। সেটা ওই সময়ের জন্য তাদের একটা অবস্থান ছিল। আমি এভাবে দেখি। এখন তো ওই পর্বটা নেই। আবার ইলেকশন হবে ৪ বা সাড়ে ৪ বছর পরে। এখন তো ইলেকশনের বিষয়টি এ আলোচনায় ভ্যালিডেড না। আর আমি প্রথমেই বলেছি, আমরা সামনের দিকে কীভাবে আমাদের সম্পর্কটাকে আরও সুদৃঢ় করব, সেটা নিয়েই মূলত আলোচনা।