রাজশাহীতে বাড়ছে পদ্মা নদীর পানি, বন্যার আতঙ্কে চর এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে গবাদিপশুসহ ঘরবাড়ি। ভেসে যাচ্ছে আষাড়িয়াদহ চরের মানুষ ও ফসলি জমি। চর এলাকার বন্যা ও নদী ভাঙন পরিস্থিতি
রাজশাহীসহ সারা দেশে বিদ্যুৎ বিতরণে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও বসছে প্রি-পেইড মিটার। কিন্তু ভোগান্তি কমানোর কথা বলে চালু করা এসব প্রি-পেইড মিটার বর্তমানে অনেক সাধারণ গ্রাহকের গলার কাঁটা
ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজের প্রায় সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুর ও আলাতুলী ইউনিয়নে দেখা দিয়েছে অকাল বন্যা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০হাজার মানুষ।
বর্ষা মৌসুম আশ্বিন মাসে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বাগমারা জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফলতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও লাগামহীন দুর্নীতির কারণে রাজশাহীর তাহেরপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ও ব্যাপক লোডশেডিং চলছে।
তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরমে যখন নাকাল অবস্থা তার উপর ঘন্টায় ঘন্টায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উল্লাপাড়ার জনজীবন। গরম ও অস্বস্তিতে হাঁসফাঁস করছে সাধারন মানুষ। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে
কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়ক থেকে পদ্মা নদীর দূরত্ব এখন মাত্র ৪০ মিটার। মহাসড়কে দেখা দিয়েছে ভাঙনের শঙ্কা। যেকোনো মুহূর্তে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের