ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র রেশ কাটতে না কাটতেই আরও একটি ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি নভেম্বরেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এ ছাড়া এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত থাকতে পারে, পাশাপাশি থাকবে বিস্তারিত...
বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকার গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় রূপ নিয়েছে। এটি ক্রমশ স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে। লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল এবং টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান
পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। সোমবার (২১ অক্টোবর) আবহাওয়া অফিসের এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো
দেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফলে দেশের ৪ বন্দরে তিন নম্বর সতর্কসংকেত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সাথে মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে পরবর্তী
অস্বস্তিকর গরমের পর টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জনজীবনে ফিরেছে প্রশান্তি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত চলমান রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও টানা কয়েক ঘণ্টা ঢাকায় মাঝারি ধরনের বর্ষণ হয়েছে। এর
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালন মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের ৪০ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া তাপমাত্রাও বেড়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার
স্থল নিম্নচাপটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করলেও এর প্রভাব বাংলাদেশে রয়েছে। সমুদ্র বন্দরকে ৩ নাম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক ব্রিফিংয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক