• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হাতপাখাকে ৪৫ আসন ছাড় দিয়ে বুধবার চূড়ান্ত ঘোষণা জামায়াতের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির: নজরুল ইসলাম খান এল ক্লাসিকোর পর রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়লেন কোচ জাবি আলনসো ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট গণভোটের সচেতনতায় ময়মনসিংহ সদরের মাঠপর্যায়ে বিশেষ প্রচারণা জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান নির্বাচিত বানেশ্বর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ময়মনসিংহ-১১ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম আপিলে ফিরে পেলেন প্রার্থিতা ময়মনসিংহ-ভৈরব মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জনদুর্ভোগ চরমে গোদাগাড়ীতে ২ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

৬ বছরে পরিবার প্রতি খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ১৯১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৩

সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে (২০২২ সালের জরিপে) একটি খানার (পরিবার) মাসে গড় খরচ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। ২০১৬ সালে যা ছিল ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। এ হিসাবে ৬ বছরের ব্যবধানে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।

বুধবার (১২ এপ্রিল) বিবিএস মিলনায়তনে এ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের নেওয়া নানা কর্মসূচির কারণে দেশে দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের হার কমেছে। দেশে এখন দরিদ্র জনগোষ্ঠী ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া হতদরিদ্রের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশে।

২০১৬ সালের পরিসংখ্যানে দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠী ছিল ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ওই বছর হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী ছিল ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। ফলে ছয় বছরের ব্যবধানে দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠী কমেছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী কমেছে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, পল্লি অঞ্চলে দারিদ্র্যের হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশ এবং শহরে ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

দেশে বর্তমানে (২০২২ সালের জরিপে) একটি খানার (পরিবার) মাসিক আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৪২২ টাকা। ২০১৬ সালে যা ছিল ১৫ হাজার ৯৮৮ টাকা। ফলে ৬ বছরের ব্যবধানে মানুষের আয় বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

এবারের খানা আয় ও ব্যয় জরিপে সারা দেশে ১৪ হাজার ৪০০ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বছরব্যাপী এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ