বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণভবনে ওআইসিভুক্ত ১৪টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সরকারপ্রধান ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মধ্যে ‘শেখ রাসেল পদক-২০২৩’ ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ পদক-২০২৩’ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালেও বিশ্বনেতাদের যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গতকাল গাজার হাসপাতালে বোমা হামলা চালিয়ে মানুষ ও শিশুদের হত্যা এবং শিশুদের রক্তমাখা মুখ দেখেছি। আমি বিশ্ব নেতাদের আহ্বান জানাচ্ছি- যুদ্ধ ও অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে।’
গণভবনে ওআইসিভুক্ত ১৪টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধ এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা কখনই মানবজাতির জন্য ধ্বংসের পরিবর্তে কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। যুদ্ধে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ সারাবিশ্বের শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হোক।
বৈঠকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান ছাড়াও সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসেফ ঈসা, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি, মরক্কোর রাষ্ট্রদূত মাজিদ হালিম, কাতারের রাষ্ট্রদূত আলি মাহদি সাঈদ আল-কাহতানি, লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দুল মুতালিব সুলিমান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ইরানের রাষ্ট্রদূত মানসুর চাভোশি, ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওথমান অংশ নেন।
এছাড়াও অন্যদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স হামিদ আল তামিমি, ইরাকের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স মোহামাদ আল দারাজি, ওমানের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স ফাতিহা আল বুলুশি, ইন্দোনেশিয়ার চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স রাদেন উসমান ইফেন্দি এবং মিশরের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স মিনা মাকারি এতে উপস্থিত ছিলেন।