ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সবজির বাজারে আগুন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক//
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪ ১০ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে সবজির বাজারে আগুন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস। ক্রেতাদের নাগালে বেগুন, শশা,আলু, , পটল, ঢ়েড়স, মিষ্টি কুমড়া, লাউ ,শজিনা ডাটা সহ সবরকম সবজির দাম। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে কাঁচা বাজারের পাশাপাশি মাছ মাংস দুধ ডিমের দাম। এতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের যেন বেঁচে থাকায় দায় হয়ে পড়েছে।
অনেকে হাটে এসে কাঁচা বাজার না করেই খালি ব্যাগ হতে নিয়ে বাড়ি ফেরত চলে যাচ্ছেন। আবার জীবিকার তাগিদে কেউ বাধ্য হয়ে বেশি দামেই বাজার করে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না করায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনে সব বাজার। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালেও নিরব দর্শকের ভুমিকায় প্রসাশন।
বুধবার (৩ জুলাই) সকালে সরজমিনে রাজশাহী মোহনপুর বসন্তকেদার ( বিদিরপুর ) হাটে গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা বাজারে সবজির দাম শুনতেই নাভিশ্বাস নিচ্ছে ক্রেতারা। বাজারে শজিনা ডাটা ১৩০টাকা কেজি, বেগুন ৭০ টাকা কেজি, দেশী ছোট আলু ৭০ টাকা কেজি, বড় হলেন্ডার আলু ৬০ টাকা কেজি, পটল ৪০টাকা কেজি, পেঁপে ৫০ টাকা কেজি, বেগুন ৮০ টাকা কেজি, তরাই ৪০ টাকা কেজি, কল্যা ৭০ টাকা কেজি, পিঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি, , আদা ২৮০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকা কেজি, কচু ৮০ টাকা কেজি , মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, পুইশাক ৩০ টাকা কেজি, শশা ১০০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে রুই মাছ ২৬০ টাকা কেজি,কাতলা মাছ ২৫০ টাকা কেজি, সিলভার মাছ ২৩০ টাকা কেজি, টেংরা মাছ ৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ী মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

সবকিছুর দাম উর্দ্ধগতির জন্য মধ্যেবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষের বেঁচে থাকায় দায় হয়ে পড়েছে।
বিদিরপুর হাটে বাজার করতে আসা নিম্ন আয়ের মানুষ মোঃ আলম জানান, তিনি বাজার করতে এসে তরিতরকারির দাম শুনে হতাশ হয়ে বাজার না করে খালি ব্যাগ নিয়ে বাড়িতে ফেরত যাচ্ছেন। তিনি সারাদিনে কাজ করে পারিশ্রমিক পান মাত্র ৫’শ টাকা, আর বাজারে এক কেজি বেগুনের দাম ৭০ টাকা, এক কেজি সিলভারের মাছের দাম ২৩০ টাকা, আমরা গরীব মানুষ এতটাকা দিয়ে মাছ ও সবজি কিভাবে কিনে খাব বলে চরম হতাশা হয়ে পড়েন তিনি।
হাটে বাজার করতে আসা মোঃ রাকিব নামের আরেকজন ব্যক্তি বলেন, মাছের বাজারে গিয়ে হাঁপ কেজি চিংড়ী মাছ কিনেছি ৩’শ টাকা দিয়ে, এক কেজি আলু কিনেছি ৬০ টাকা দিয়ে। যেভাবে দিন দিন তরিতরকারির দাম বাড়ছে তাতে মানুষের বাজার করে খাওয়া দশদায় হয়ে পড়েছে।
বসন্তকেদার (বিদিরপুর )বাজারের হান্নান নামের ব্যবসায়ী জানান, তারা পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে মাল কিনে খুচরা দামে বিক্রি করছেন। তাদের কাছে পাইকারি বাজারে বেগুনের দাম ধরা হচ্ছে ৭০ টাকা আর সেই বেগুন খুচরা বাজারে বিক্রি করছি ৭৫ টাকা দরে।
পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় তারা বেশি দামে মাল কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সবজির বাজারে আগুন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

রাজশাহীতে সবজির বাজারে আগুন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস। ক্রেতাদের নাগালে বেগুন, শশা,আলু, , পটল, ঢ়েড়স, মিষ্টি কুমড়া, লাউ ,শজিনা ডাটা সহ সবরকম সবজির দাম। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে কাঁচা বাজারের পাশাপাশি মাছ মাংস দুধ ডিমের দাম। এতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের যেন বেঁচে থাকায় দায় হয়ে পড়েছে।
অনেকে হাটে এসে কাঁচা বাজার না করেই খালি ব্যাগ হতে নিয়ে বাড়ি ফেরত চলে যাচ্ছেন। আবার জীবিকার তাগিদে কেউ বাধ্য হয়ে বেশি দামেই বাজার করে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না করায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনে সব বাজার। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালেও নিরব দর্শকের ভুমিকায় প্রসাশন।
বুধবার (৩ জুলাই) সকালে সরজমিনে রাজশাহী মোহনপুর বসন্তকেদার ( বিদিরপুর ) হাটে গিয়ে দেখা যায়, কাঁচা বাজারে সবজির দাম শুনতেই নাভিশ্বাস নিচ্ছে ক্রেতারা। বাজারে শজিনা ডাটা ১৩০টাকা কেজি, বেগুন ৭০ টাকা কেজি, দেশী ছোট আলু ৭০ টাকা কেজি, বড় হলেন্ডার আলু ৬০ টাকা কেজি, পটল ৪০টাকা কেজি, পেঁপে ৫০ টাকা কেজি, বেগুন ৮০ টাকা কেজি, তরাই ৪০ টাকা কেজি, কল্যা ৭০ টাকা কেজি, পিঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি, , আদা ২৮০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ২৪০ টাকা কেজি, কচু ৮০ টাকা কেজি , মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, পুইশাক ৩০ টাকা কেজি, শশা ১০০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে রুই মাছ ২৬০ টাকা কেজি,কাতলা মাছ ২৫০ টাকা কেজি, সিলভার মাছ ২৩০ টাকা কেজি, টেংরা মাছ ৬০০ টাকা কেজি, চিংড়ী মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

সবকিছুর দাম উর্দ্ধগতির জন্য মধ্যেবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষের বেঁচে থাকায় দায় হয়ে পড়েছে।
বিদিরপুর হাটে বাজার করতে আসা নিম্ন আয়ের মানুষ মোঃ আলম জানান, তিনি বাজার করতে এসে তরিতরকারির দাম শুনে হতাশ হয়ে বাজার না করে খালি ব্যাগ নিয়ে বাড়িতে ফেরত যাচ্ছেন। তিনি সারাদিনে কাজ করে পারিশ্রমিক পান মাত্র ৫’শ টাকা, আর বাজারে এক কেজি বেগুনের দাম ৭০ টাকা, এক কেজি সিলভারের মাছের দাম ২৩০ টাকা, আমরা গরীব মানুষ এতটাকা দিয়ে মাছ ও সবজি কিভাবে কিনে খাব বলে চরম হতাশা হয়ে পড়েন তিনি।
হাটে বাজার করতে আসা মোঃ রাকিব নামের আরেকজন ব্যক্তি বলেন, মাছের বাজারে গিয়ে হাঁপ কেজি চিংড়ী মাছ কিনেছি ৩’শ টাকা দিয়ে, এক কেজি আলু কিনেছি ৬০ টাকা দিয়ে। যেভাবে দিন দিন তরিতরকারির দাম বাড়ছে তাতে মানুষের বাজার করে খাওয়া দশদায় হয়ে পড়েছে।
বসন্তকেদার (বিদিরপুর )বাজারের হান্নান নামের ব্যবসায়ী জানান, তারা পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে মাল কিনে খুচরা দামে বিক্রি করছেন। তাদের কাছে পাইকারি বাজারে বেগুনের দাম ধরা হচ্ছে ৭০ টাকা আর সেই বেগুন খুচরা বাজারে বিক্রি করছি ৭৫ টাকা দরে।
পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় তারা বেশি দামে মাল কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানান।