ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব জ¦লপনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী- তানোর) আসনের জন্য বিএনপির ভাইসচেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ছোট ভাই বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ শরীফ উদ্দিন বিএনপির প্রার্থী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৩৭ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গত কয়েক মাস ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের ৩০০ আসনের জন্য অন্তত ৫টি জরিপ পরিচালনা করেন। এরপর সাংগঠনিক টিমের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে সংকটপূর্ণ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতভাবে অথবা স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করেন। সর্বশেষ, ২৬ ও ২৭ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ৩০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।তারপর মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
জীবন বৃত্তান্ত :
নাম : মেজর জেনারেল (অব:) মো: শরীফ উদ্দিন
পিতার নাম : মরহুম ফহীম উদ্দীন বিশ্বাস, মাতার নাম : মরহুমা আনোয়ারা খাতুন।
জন্ম তারিখ : ০১-০২-১৯৫৮
পেশা ও কর্মস্থলের নাম ও ঠিকানাঃ অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা
বর্তমান ঠিকানা : বাড়ী নং-১০৯,২/এ, মসজিদ রোড, ডি ও এইচ এস, বনানী, ঢাকা।
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম : কেল্লাবারুই পাড়া, পোস্ট : গোদাগাড়ী -৬২৯০, গোদাগাড়ী পৌরসভা, রাজশাহী।
শিক্ষা জীবন :
১৯৬৯ সালে ২০/৭ এ রাজশাহী (তৎকালীন আইউব) ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হই। ১৯৭৩ সালে SSC এবং ১৯৭৫ সালে HSC উভয় পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উর্ত্তীন হই। পরবর্তীতে কিছু দিনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। পরবর্তী কালে চাকরী জীবনে থাকাকালে বি এস এস ও এম এস এম ডিগ্রী লাভ করি।
চাকুরী জীবন :
১৭৯৭৬ সালে সেনাবাহিনাতে জয়েন করি এবং সেকেন্ড লেফটেনেন্ট পদে ১৯৭৭ সালে চাকরী জীবন শুরু করে। তিনি একজন পদাতিক বাহিনীর অফিসার ২০০৮ সালে চাকুরী হতে বাধ্যতামুলক অব্যাহতি লাভ করে মেজর জেনারেল পদে, অথচ তখনও আরও ০৮ (আট)বছর চাকুরী বাকী ছিল।
১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গঠিত PGR (President Guard Ragiment) যোগ দেই। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর বি এম এ (BMA) তে প্লাটুন কমান্ডার হিসাবে চাকুরি করে ৩ বছর।পার্বত্য চট্টগ্রামে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করে।
পরবর্তীতে UNOSOM-II (সোমালিয়ায়) ১৯৯৩ সালে এবং UNAMSIL (সিয়েরালিয়ন) জাতিসংঘ মিশনে দুবার কাজ করে।
২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সহকারী/উপ/সামরিক সচিব হিসেবে কর্মরত ছিল।
২০০৫ সালে ঢাকাস্থ ৪৬ তম স্বতন্ত্র ব্রিগেড কমান্ডার হিসাবে যোগদান করে এবং পরবর্তীতে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে যশোর (৫৫ তম পদাতিক) ডিভিশনের দায়িত্ব পাই।
উল্লেখ, ১৯৯৫ সালে চায়নাতে ARMY COMMAND COLLEGE (নানজিং) এক বছরের জয়েন্ট টেকটিফস কামান্ড কোর্সে Exelen গ্রেড পেয়ে সফলতার সাথে উর্ত্তীন হই।
চাকরী জীবনে পদক প্রাপ্তি : প্রায় ১৫টি পদক পাই। যেমন : স্বাধীনতা পদক, জ্যোষ্ঠতা পদক, রক্তদাতা পদক, জাতীসংঘের ম্যাডেল অনুরুপ বহু পদক।
∎ পরিবারের সদস্য সংখ্যা।
বর্ধিত (Extended family) পরিবারে ৮ ভাই ও ১ বোন। তার অবস্থান ভাইদের মধ্যে ৭ম।
১৯৮৪’ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। স্ত্রী এমএ ডিগ্রী ধারী। নিজ পরিবারে ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। বড় ছেলে BBA অর্জন প্রাপ্ত -নিউ ইয়র্ক বিজনেস কলেজ (USA)থেকে। ছোট ছেলে Economics GgG Virginia Tech (usa) থেকে। মেয়ে HARVARD UNIVERSITY থেকে MA(BOSTON – USA) সদ্য পাশ করেনে।