• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

মোহনপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা

মোহনপুর (রাজশাহী) প্রতিবেদকঃ / ১১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৪

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও বিকালে উপজেলা চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।
র‍্যালিটি রাজশাহী -টু নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক বাকশিমইল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব আর রশিদ এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন বকুলের পরিচারনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সামাদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামিমুল ইসলাম মুন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বাচ্চু রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজিম উদ্দিন, মৌগাছী ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খাঁন, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল কাদের, শামসুজ্জোহা আক্তার শাহিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, যুবনেতা মির্জা শওকত, ছাত্রদলের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক গোলাম মোস্তফা বাবলু, সদস্য সচিব জাকারিয়া মন্ডল, উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মোজাম্মেল হক, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিলন, যুব নেতা আব্দুর রহিম, যুব নেতা নাহিদ পারভেজ হিমু, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোখলেসুর রহমান, আব্দুল মালেক, আনছার আলী, রুস্তম আলী, রেজাউল ইসলাম, মৌগাছী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকী মুকুল, সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ আলী, আল-আমীন, উজ্জ্বল হোসেন, জিল্লুর রহমান, তাজউদ্দীন আহম্মেদসহ উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড বিএনপি’র সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটিতে প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে ওই বছরের মধ্য আগস্ট থেকে চলা টালমাটাল পরিস্থিতির অবসান হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ক্ষমতায় আসা খন্দকার মোশতাক সরকারকে উৎখাতে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থান করা হয়। গৃহবন্দি করা হয় মুক্তিযুদ্ধের বীরউত্তম সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে। দেশ সরকারহীন হয়ে পড়ে। খন্দকার মোশতাকের কাছ থেকে পদোন্নতি আদায় করে নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন খালেদ মোশাররফ। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় নিজেকে সুসংহত করেন একাত্তরের ২৫ মার্চের গণহত্যা প্রতিরোধে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া মেজর জিয়া। ৭ নভেম্বরের পর তিনি সামরিক শাসক থেকে রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হন।
দলকে গতিশীল করতে ও আগামী দিনগুলোতে সুন্দর রাজনীতি করার লক্ষে এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনার সভার আয়োজন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ