• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিসিবি-আইসিসি বৈঠক// বিশ্বকাপে ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অটল বাংলাদেশ বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকারদের ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন এখনো অধরা পরিবারের বিপিএল থেকে ঢাকাকে বিদায় করে প্লে-অফে রংপুর তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে দলীয় ১৫ নেতাকর্মী খুন, বিএনপির ১২ জন বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম, পাথরঘাটা পৌর জামায়াত আমির কারাগারে জামাতের সাথে গোপন বৈঠকের কথা স্বীকার করলো ভারত আত্রাই নদীতে মৎস্য অভয়াশ্রমে চোর ধরতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অবশেষে পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, জানুয়ারি থেকেই কার্যকর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

মোবাইল সাংবাদিকতা ও ‘ভিউ কালচার’-এর প্রভাবে হতাশ সাধারণ মানুষ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক// / ১৪৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশে সাংবাদিকতার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে সাধারণ পাঠক দর্শকের কাছ থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বাসের কন্টাকটার, ক্লিনিকের দালাল, পান দোকানদার, মোটর মেকানিক ও পেশাদার ড্রাইভার থেকে শুরু করে যে কেউ এখন নিজেকে “সাংবাদিক” পরিচয়ে হাজির করছেন।

অনেকে দাবি করছেন, মাঠে গিয়ে সত্যিকারের সংবাদ সংগ্রহের পরিবর্তে ‘মোবাইল সাংবাদিকতা’ আর ‘ভিউ-নির্ভর কনটেন্ট’ তৈরিই এখন মূলধারায় পরিণত হয়েছে। এতে পেশাদার সাংবাদিকতা তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।

স্থানীয় এক নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন কুলির ৫০ টাকা দিয়া রিপোর্ট করতে হয়! এটা কী ধরনের সাংবাদিকতা? তাঁর মতে, অনেকে সাংবাদিকতার নৈতিকতা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই সামাজিক মাধ্যমে ‘লাইভ’ করে নিজেদের প্রতিবেদক দাবি করছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর তৈরির প্রবণতা বাড়ায় বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে সমাজে। অনেকেই মনে করছেন, এই অনিয়ন্ত্রিত কনটেন্টের কারণে পাঠক ও দর্শক গণমাধ্যম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

তবে পেশাদার সাংবাদিক ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুশিদুল আলম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি সংবাদ সংগ্রহের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে কিন্তু দায়িত্বশীলতা আর প্রশিক্ষণ ছাড়া সাংবাদিকতা সম্ভব নয়।

জনগণের দাবি, গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হোক, নৈরাজ্য কমুক, আর সত্যিকারের সাংবাদিকতাই ফিরে পাক বিশ্বাসযোগ্যতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ