• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ভারতের মণিপুরে তীব্র সংঘাতে নিহত ৮, আহত ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ / ১৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

ভারতের মণিপুর রাজ্যে তীব্র সংঘাতে আটজন নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারও সেখানে সহিংসতা অব্যাহত ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ তথ্য দিয়েছে।

মণিপুর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং পরিস্থিতিটিকে “সঙ্কটজনক” বলে অভিহিত করেছেন এবং সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকতে বলেছেন।

দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, ‘২৯ অগাস্ট থেকে কুকি ও মেইতিদের মধ্যে ক্রমাগত বন্দুকযুদ্ধের পর বিষ্ণুপুর এবং চুরাচাঁদপুর জেলায় কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন এবং ১৮ জন আহত হয়েছেন।’

এদিকে রাজ্যের চুড়াচাঁদপুর জেলার পার্শ্ববর্তী চিংফেই এবং খৌসাবুং এলাকা থেকেও নতুন করে গুলি চালানোর খবর পাওয়া গেছে।

বিশদ বিবরণ অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট খৈরেন্টক এলাকায় প্রচণ্ড গুলিবর্ষণে ৩০ বছর বয়সী এক গ্রাম্য স্বেচ্ছাসেবক নিহত হওয়ার পর ব্যাপক গোলাগুলি হয়।

ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একই দিনে বিষ্ণুপুরের নারাইনসেনা গ্রামের কাছে দেশীয় বন্দুক ব্যবহার করার সময় অন্য একজনের মৃত্যু হয়। এ সময় বন্দুকের গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ওই ব্যক্তির মুখে লাগে।

অভিযোগ উঠেছে যে মিয়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে উগ্রবাদীরাও হামলায় যোগ দিয়েছিল। এরপর থেকেই বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সহিংসতার খবর আসতে শুরু করে। চূড়াচাঁদপুর ও বিষ্ণুপুর সীমানায় কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল চালিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। তবে বেশ কিছু আগ্নেয়ান্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার চূড়াচাঁদপুর জেলার চিংফেই ও খৌসাবুং থেকে গুলির লড়াইয়ের খবর আসে। ওই দুই এলাকা থেকে প্রাণভয়ে বেশ কিছু গ্রামবাসী পালিয়ে গেছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ বলেন, ‘‘পরিস্থিতি সঙ্কটজনক। আমরা সব সম্প্রদায়ের কাছে শান্তির আবেদন জানাচ্ছি।’’ সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ‘কন্ট্রোল রুম’ খোলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত ৩ মে ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’ (এটিএসইউএম)-এর কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই রাজ্যে। মণিপুর হাইকোর্ট মেইতিদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতির সংগঠনগুলো ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় রাস্তায় নামে। এসব ঘটনা থেকেই সংঘাতের সূচনা হয় সেখানে।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ