আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্দেশ্য করে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, বিলম্বে হলেও আপনারা পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) এক মানববন্ধনে এই মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরামের উদ্যোগে ‘ সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদসহ ক্ষমতাসীন দলের দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে’ এই মানববন্ধন হয়।
ফারুক বলেন, বেনজীর কী করে
ঢাকা হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পার হন। যদি সরকার গণতান্ত্রিক হতো, যদি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো, যদি সরকার বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনের সরকার হাতো তাহলে এই বেনজীরকে
ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পার হতে পারত না। সেজন্য জনগণ বলা শুরু করেছে এই সরকার চোরের রাজা, এই সরকার দুর্নীতির রাজা। এই সরকার জনগণের সরকার না।
জয়নুল আবদিন ফারুক প্রশ্ন রেখে বলেন, যে সরকারের আমলে আমাদের ভাইয়েরা রিকশা চালায়, যে সরকারের আমলে আমাদের ভাইয়েরা রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোর্টে হাজিরা দেয়, যে দেশের সরকারের আমলে আমাদের সিনিয়র নেতাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়, যেই দেশে আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা কারণে মিথ্যা মামলায় জেলে বন্দি করে রাখা হয়, যেই কারণে আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে অসত্য মিথ্যা মামলায় সাজা দিতে পারে সেই সরকার এদেশের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নাই। এই সরকারের প্রতি জনগনের কোনো সমর্থন নেই। তাদের পায়ে তলায় মাটি নেই। তারা জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। কোনো কলাকৌশলে কাজ হবে না, বিলম্বে হলেও আপনাদেরকে জনগণ বিতাড়িত করবে, বিলম্বে হলেও আপনারা পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন।
তিনি বলেন, আজিজ-বেনজীরের মতো আরো যেসব দুর্নীতিবাজ আছে কেনো তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না তা জনগণ জানতে চায়।
গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে মানবন্ধনে বিএনপির সাংগঠনকি সম্পাদক আবদুস সালাম, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শাহ নেসারুল হক, আকম মোজাম্মেল, তাঁতী দলের কাজী মনিরুজ্জামান মুনির, উলামা দলের মাওলানা আলমগীর হোসেন, কৃষক দলের জাহাঙ্গীর হোসেন,কাদের সিদ্দিকী,মৎস্যজীবি দলের ইসমাইল হোসেন সিরাজী, সাবেক ছাত্র নেতা আজমল হোসেন পাইলট প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।