ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিমা কোম্পানির বদনাম হোক সেটা চাই না: প্রধানমন্ত্রী

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩ ৯১ বার পড়া হয়েছে

নিজেকে বিমা কোম্পানি পরিবারের একজন সদস্য আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো কারণে এই খাতের বদনাম হোক সেটা তিনি চান না। এজন্য বিমা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (১ মার্চ) জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম কর্মজীবন শুরু হয় একটি বিমা কোম্পানিতে চাকরির মাধ্যমে। এজন্য এই খাতের সঙ্গে তাদের পরিবারের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। বিমা খাতের উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু ১৯৬৩ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন। সেই সময় তিনি মাসে বেতন পেতেন প্রায় দুই হাজার টাকা। জিন্নাহ এভিনিউয়ে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ভাম এন্ড কোম্পানির পাশের বিল্ডিংয়ের দোতলায় ছিল আলফা ইন্স্যুরেন্সের অফিস।

বাবার স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে আব্বার চাকরির কারণে আমাদের পরিবারে একটা স্থিতিশীল পরিবেশ এসেছিল। এই সময়টি আমাদের জন্য ভালো সময় ছিল। আমরা আব্বাকে কাছে পেতাম। ভালো টাকা বেতন পেতেন। এজন্য ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে আমাদের পরিবারের একটা আত্মার সম্পর্ক আছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধুর ওপর আইয়ুব খানের সরকার বিধিনিষেধ দিয়েছিল। তিনি চাইলেই যেকোনো স্থানে যেতে পারতেন না। তবে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে বঙ্গবন্ধু জেলায় জেলায় যেতেন। এর মাধ্যমে মানুষকে সংগঠিত করেন মুক্তি সংগ্রামের পক্ষে। এতে স্বাধীনতা আন্দোলন ত্বরান্বিত হয়। এজন্য বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির একটা যোগসূত্রতা আছে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক যে ছয় দফা প্রণয়ন করেন সেটা ওই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অফিসে বসেই করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিমা কোম্পানির বদনাম হোক সেটা চাই না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ মার্চ ২০২৩

নিজেকে বিমা কোম্পানি পরিবারের একজন সদস্য আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোনো কারণে এই খাতের বদনাম হোক সেটা তিনি চান না। এজন্য বিমা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (১ মার্চ) জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম কর্মজীবন শুরু হয় একটি বিমা কোম্পানিতে চাকরির মাধ্যমে। এজন্য এই খাতের সঙ্গে তাদের পরিবারের আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। বিমা খাতের উন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু ১৯৬৩ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন। সেই সময় তিনি মাসে বেতন পেতেন প্রায় দুই হাজার টাকা। জিন্নাহ এভিনিউয়ে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ভাম এন্ড কোম্পানির পাশের বিল্ডিংয়ের দোতলায় ছিল আলফা ইন্স্যুরেন্সের অফিস।

বাবার স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে আব্বার চাকরির কারণে আমাদের পরিবারে একটা স্থিতিশীল পরিবেশ এসেছিল। এই সময়টি আমাদের জন্য ভালো সময় ছিল। আমরা আব্বাকে কাছে পেতাম। ভালো টাকা বেতন পেতেন। এজন্য ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে আমাদের পরিবারের একটা আত্মার সম্পর্ক আছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধুর ওপর আইয়ুব খানের সরকার বিধিনিষেধ দিয়েছিল। তিনি চাইলেই যেকোনো স্থানে যেতে পারতেন না। তবে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে বঙ্গবন্ধু জেলায় জেলায় যেতেন। এর মাধ্যমে মানুষকে সংগঠিত করেন মুক্তি সংগ্রামের পক্ষে। এতে স্বাধীনতা আন্দোলন ত্বরান্বিত হয়। এজন্য বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির একটা যোগসূত্রতা আছে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক যে ছয় দফা প্রণয়ন করেন সেটা ওই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অফিসে বসেই করেছিলেন।