নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন কমিশনে সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী এবং বিতর্কিত নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলীর নাম দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্র-জনতা, সুশীল সমাজ এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীরা। তারা ইসির এই সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, জেসমিন টুলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী। ২০০১ সালের নির্বাচনে নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি ও ভোট তালিকা গায়েব করার অভিযোগে আলোচিত ছিলেন। এছাড়া, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বিতর্কিত। এর পাশাপাশি, ২০০৮ সালে বিএনপির নির্বাচনী পরাজয়ের পেছনে জেসমিন টুলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এখন, অবসর নেওয়ার পর তিনি নির্বাচন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন এবং নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের জন্য কাজ করছেন। তবে, তার নাম ইসির নতুন তালিকায় থাকা নিয়ে ছাত্র-জনতার মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন— এই সিদ্ধান্ত সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মীদের মতে— জেসমিন টুলীর মতো বিতর্কিত উপদেষ্টাদের কমিশনের সদস্য হওয়া সরকারের বিপ্লবী চেতনা ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে দুর্বল করে দিতে পারে। তাদের দাবি, এই ধরনের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি হুমকি স্বরূপ।
এমন পরিস্থিতিতে, জেসমিন টুলীর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন এবং সুশীল সমাজে তীব্র সমালোচনা চলছে।