ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুদমুক্ত ঋণ দাবি ডিসিসিআই’র

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ মেয়াদি ঋণ প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

রোববার (৯ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার এক বিবৃতিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়াও ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবেচনার জন্য বেশকিছু সুপারিশ করেছেন।

বিবৃতিতে ব্যারিস্টার সাত্তার বলেন, গত ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজারে সংগঠিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ওই মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওই মার্কেটের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ও তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত উদ্যোক্তারা মালামাল ক্রয়ের জন্য ইতোমধ্যে অর্থলগ্নি করেছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। এ দুর্যোগ বিবেচনায়, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য তাদের আর্থিক সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি আমাদের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে তাহলে উদ্যোক্তাদের দ্রুত পুর্নবাসন করা সম্ভব হবে এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের জীবনাযাত্রা স্বাভাবিক হবে।

ডিসিসিআই’র সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে–

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের গৃহীত আর্থিক লোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ মেয়াদি ঋণ প্রদানের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা প্রদান।

ইতোমধ্যে যারা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ধরনের মেয়াদি, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ও ক্যাশ ক্রেডিট ঋণ গ্রহণ করেছেন তাদের ঋণের সুদ হার কমানোসহ বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ঋণের ধরনের ওপর ভিত্তি করে কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি করা।

সে পর্যন্ত তাদের ঋণগুলোকে ক্লাসিফায়েড হিসেবে ঘোষণা না করা এবং সরকারের বিদ্যমান বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি নিরূপণপূর্বক তাদের সহজ শর্তে প্রদত্ত ঋণগুলোর আওতায় নিয়ে আসা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বঙ্গবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুদমুক্ত ঋণ দাবি ডিসিসিআই’র

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ মেয়াদি ঋণ প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

রোববার (৯ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার এক বিবৃতিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

এছাড়াও ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবেচনার জন্য বেশকিছু সুপারিশ করেছেন।

বিবৃতিতে ব্যারিস্টার সাত্তার বলেন, গত ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজারে সংগঠিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ওই মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওই মার্কেটের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ও তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত উদ্যোক্তারা মালামাল ক্রয়ের জন্য ইতোমধ্যে অর্থলগ্নি করেছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন করেছে। এ দুর্যোগ বিবেচনায়, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য তাদের আর্থিক সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি আমাদের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে তাহলে উদ্যোক্তাদের দ্রুত পুর্নবাসন করা সম্ভব হবে এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের জীবনাযাত্রা স্বাভাবিক হবে।

ডিসিসিআই’র সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে–

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের গৃহীত আর্থিক লোনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ মেয়াদি ঋণ প্রদানের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা প্রদান।

ইতোমধ্যে যারা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ধরনের মেয়াদি, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ও ক্যাশ ক্রেডিট ঋণ গ্রহণ করেছেন তাদের ঋণের সুদ হার কমানোসহ বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ঋণের ধরনের ওপর ভিত্তি করে কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি করা।

সে পর্যন্ত তাদের ঋণগুলোকে ক্লাসিফায়েড হিসেবে ঘোষণা না করা এবং সরকারের বিদ্যমান বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি নিরূপণপূর্বক তাদের সহজ শর্তে প্রদত্ত ঋণগুলোর আওতায় নিয়ে আসা।