ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গতি পায় ভাষা আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৮০ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলা হয়েছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আন্দোলন করতে গিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে গেছেন। মূলত তার নেতৃত্বে গতি পেয়েছিলো ভাষা আন্দোলন।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত একুশে পদক-২০২৩ অনুষ্ঠানে ১৯ ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানের হাতে পদক তুলে দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান অনেক বিজ্ঞজন মানতে চান না। তারা বলেন তিনি কারাগারে থেকে কীভাবে ভাষা আন্দোলন করেছেন। তারা এটা জানেন না যে, তিনি ভাষা আন্দোলন করতে গিয়েই কারাগারে গেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রহমানের নেতৃত্বেই ভাষা আন্দোলন গতি পায়। বার বার বাংলা ভাষার উপর আঘাত এসেছে। বহু চড়াই উতরায় পার করে ভাষার অধিকার আদায় করা হয়েছে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অধিকারের জন্য এত সংগ্রাম আর কোনও জাতির করতে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ একুশে পদক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধে ১ জন, শিল্পকলায় ৮ জন (অভিনয়, সঙ্গীত, আবৃত্তি, চারু ও চিত্রকলা), রাজনীতিতে ২ জন, শিক্ষায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকতা, গবেষণা এবং ভাষা ও সাহিত্যে ১ জন করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) এবং হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ এবং সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর),আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান এবং চিত্রকলা বিভাগে কনক চাপা চাকমা পুরস্কার পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতিতে আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন। শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার লাভ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গতি পায় ভাষা আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছে ফেলা হয়েছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আন্দোলন করতে গিয়েই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে গেছেন। মূলত তার নেতৃত্বে গতি পেয়েছিলো ভাষা আন্দোলন।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত একুশে পদক-২০২৩ অনুষ্ঠানে ১৯ ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানের হাতে পদক তুলে দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান অনেক বিজ্ঞজন মানতে চান না। তারা বলেন তিনি কারাগারে থেকে কীভাবে ভাষা আন্দোলন করেছেন। তারা এটা জানেন না যে, তিনি ভাষা আন্দোলন করতে গিয়েই কারাগারে গেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রহমানের নেতৃত্বেই ভাষা আন্দোলন গতি পায়। বার বার বাংলা ভাষার উপর আঘাত এসেছে। বহু চড়াই উতরায় পার করে ভাষার অধিকার আদায় করা হয়েছে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অধিকারের জন্য এত সংগ্রাম আর কোনও জাতির করতে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ একুশে পদক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধে ১ জন, শিল্পকলায় ৮ জন (অভিনয়, সঙ্গীত, আবৃত্তি, চারু ও চিত্রকলা), রাজনীতিতে ২ জন, শিক্ষায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় ১ জন ও একটি প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকতা, গবেষণা এবং ভাষা ও সাহিত্যে ১ জন করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) এবং হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ এবং সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর),আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান এবং চিত্রকলা বিভাগে কনক চাপা চাকমা পুরস্কার পেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতিতে আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন। শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার লাভ করেছে।