নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রীন কোম্পানীর শ্রমিকদের সাথে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের গুলিতে হাবিব নামে এক শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া গুরুত্বর আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন শ্রমিক।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিব নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের মাছির চাক গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে ও উত্তরা ইপিজেডের ইকো কোম্পানীর শ্রমিক।
শ্রমিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এভারগ্রীন কোম্পানী কর্তৃপক্ষ তাদের পুরাতন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করে ছাঁটাই করার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো শ্রমিকরা ইপিজেডের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। এসময় তারা সৈয়দপুর-নীলফামারী সড়ক বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। এতে এই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে সেনাবাহানী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। এসময় উত্তোজিত কিছু শ্রমিক সেনাবাহানী ও পুলিশের গাড়ী লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ শুরু করেন। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়। আহতদের নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে হাবিব নামে এক শ্রমিক নিহত হয়।
বর্তমানে ইপিজেড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত আইনশৃংংঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনসহ ইপিজেড কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।