পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের চেয়ারম্যান ইমরান খান ও ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশিকে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনে দায়ের করা সাইফার মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৩ অক্টোবর) বিশেষ আদালতে তাদের দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
আদালিয়া কারাগারের বাইরে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফআইএ) শাহ খাওয়ার বলেন, ‘ইমরানকে আজ অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগ আদালতে পড়ে শোনানো হয়েছে।’মামলার শুনানিকালে ইমরান খান নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গত আগস্টে তোষাখানা দুর্নীতির মামলায় ইমরান খানকে তিন বছরের জন্য জেলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এই সাজা বাতিল করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ফাঁসের মতো গুরুতর অভিযোগ এনে তাকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলাটি সরকারি একটি গোপন নথির সঙ্গে সম্পর্কিত। ওই নথিকে প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে ইমরান খান দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করেছে।
ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিও এই মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। ইমরান খানের আইনজীবীরা বলছেন, এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের মক্কেলের সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।