ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝগড়া কিনলেন গঙ্গানগর গ্রামের কতিপয় লোক

আরিফ রববানী , ময়মনসিংহ ||
  • আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩ ৯০ বার পড়া হয়েছে

পরশখিলা ও গঙ্গানগর গ্রামের মাঝে সংঘর্ষের মূল বিষয় পরশখিলা ঈদগাহ মাঠের পাশে পরশখিলা গ্রামের ১২ জন ব্যক্তির নামে রেকর্ডকৃত জমি নিয়ে।
এ জমির ইতিহাসের বিবরণ হলো এই যে সিএস মালিকগণ উক্ত জমি পরশখিলার গ্রামের লোকদের নিকট বিক্রি করে। সেমতে সিএস পরবর্তী রেকর্ড আরওআর রেকর্ডে পরশখিলা গ্রামবাসীর নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। আরওআর রেকর্ডের ধারাবাহিকতাক্রমে বিআরএস রেকর্ডেও ১৪৯ নং খতিয়ানে তা পরশখিলা গ্রামবাসীর নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। সুতারাং জমির মালিকানা ইতিহাসটি খুবই পরিষ্কার। এবং এ জমিটি বিগত ৪৯/৫০ বছর ধরে পরশখিলা গ্রামবাসীর দখলে ও ভোগদখলকৃত।

এ জমিতে গঙ্গানগর গ্রামের কারো কোন স্বার্থ জড়িত নেই। উক্ত জমিটিতে কাপাসাটিয়া গ্রামের একজন মহিলা তার উত্তরাধিকার সিএস মালিকদের একজন ছিল এ দাবি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গঙ্গানগর গ্রামবাসী এ জমি জোরপূর্বক দখল করার চুক্তি নেয়।
এতে ইন্ধন দিচ্ছেন গঙ্গানগরের কতিপয় লোক। এ জমির পুকুর হতে তারা মাছ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত। নতুন করে জোরপূর্বক দোকান ঘর তুলছে গঙ্গানগর গ্রামবাসী।

এরই সূত্র ধরে বিগত রবিবার পরশখিলা গ্রামবাসীর কতিপয় লোকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রেক্ষিতে গঙ্গানগরের কতিপয় লোক পরদিন সোমবার সকাল ৯ টার দিকে পরশখিলা গ্রামবাসীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে একজন গুরতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। যার নাম বজলু মিয়া(৪০)। তার মেণ্ডিবল ফ্র্যাকচার হয়েছে যা তার অবস্থার অবনতি করছে দিন দিন।
এ বিষয়ে গঙ্গানগর গ্রামের কতিপয় লোকের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারী মামলা থানায় রুজু করা হয়েছে। একজন আসামী গ্রেফতার হয়েছে ইতোমধ্যে। সচেতন নাগরিকগণ ও এলাকাবাসী এর ন্যায়বিচার দাবি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝগড়া কিনলেন গঙ্গানগর গ্রামের কতিপয় লোক

আপডেট সময় : ১১:৫১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

পরশখিলা ও গঙ্গানগর গ্রামের মাঝে সংঘর্ষের মূল বিষয় পরশখিলা ঈদগাহ মাঠের পাশে পরশখিলা গ্রামের ১২ জন ব্যক্তির নামে রেকর্ডকৃত জমি নিয়ে।
এ জমির ইতিহাসের বিবরণ হলো এই যে সিএস মালিকগণ উক্ত জমি পরশখিলার গ্রামের লোকদের নিকট বিক্রি করে। সেমতে সিএস পরবর্তী রেকর্ড আরওআর রেকর্ডে পরশখিলা গ্রামবাসীর নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। আরওআর রেকর্ডের ধারাবাহিকতাক্রমে বিআরএস রেকর্ডেও ১৪৯ নং খতিয়ানে তা পরশখিলা গ্রামবাসীর নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। সুতারাং জমির মালিকানা ইতিহাসটি খুবই পরিষ্কার। এবং এ জমিটি বিগত ৪৯/৫০ বছর ধরে পরশখিলা গ্রামবাসীর দখলে ও ভোগদখলকৃত।

এ জমিতে গঙ্গানগর গ্রামের কারো কোন স্বার্থ জড়িত নেই। উক্ত জমিটিতে কাপাসাটিয়া গ্রামের একজন মহিলা তার উত্তরাধিকার সিএস মালিকদের একজন ছিল এ দাবি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গঙ্গানগর গ্রামবাসী এ জমি জোরপূর্বক দখল করার চুক্তি নেয়।
এতে ইন্ধন দিচ্ছেন গঙ্গানগরের কতিপয় লোক। এ জমির পুকুর হতে তারা মাছ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত। নতুন করে জোরপূর্বক দোকান ঘর তুলছে গঙ্গানগর গ্রামবাসী।

এরই সূত্র ধরে বিগত রবিবার পরশখিলা গ্রামবাসীর কতিপয় লোকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রেক্ষিতে গঙ্গানগরের কতিপয় লোক পরদিন সোমবার সকাল ৯ টার দিকে পরশখিলা গ্রামবাসীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে একজন গুরতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। যার নাম বজলু মিয়া(৪০)। তার মেণ্ডিবল ফ্র্যাকচার হয়েছে যা তার অবস্থার অবনতি করছে দিন দিন।
এ বিষয়ে গঙ্গানগর গ্রামের কতিপয় লোকের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারী মামলা থানায় রুজু করা হয়েছে। একজন আসামী গ্রেফতার হয়েছে ইতোমধ্যে। সচেতন নাগরিকগণ ও এলাকাবাসী এর ন্যায়বিচার দাবি করছে।