• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হাতপাখাকে ৪৫ আসন ছাড় দিয়ে বুধবার চূড়ান্ত ঘোষণা জামায়াতের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির: নজরুল ইসলাম খান এল ক্লাসিকোর পর রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়লেন কোচ জাবি আলনসো ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট গণভোটের সচেতনতায় ময়মনসিংহ সদরের মাঠপর্যায়ে বিশেষ প্রচারণা জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান নির্বাচিত বানেশ্বর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ময়মনসিংহ-১১ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম আপিলে ফিরে পেলেন প্রার্থিতা ময়মনসিংহ-ভৈরব মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জনদুর্ভোগ চরমে গোদাগাড়ীতে ২ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

গ্রামে নেই পুরুষ, তবুও যুবতী নারীরা অন্তঃসত্ত্বা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ / ৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

কেনিয়ার উমোজা গ্রামটি নারীশাসিত একটি গ্রাম হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। এখানে পুরুষদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী ও রঙিন সংস্কৃতিতে ভরা এই গ্রামে সম্প্রতি কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, পুরুষশূন্য এই গ্রামে নারীরা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। ২৭ বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটলেও সাম্প্রতিক সময়ে এর পরিমাণ বেড়েছে। প্রতি বছর কোনো না কোনো নারী সন্তান জন্ম দিচ্ছেন, ফলে গ্রামটির বংশবৃদ্ধিও হচ্ছে।
১৯৯০ সালে রেবেকা লোলোসোলি এবং ১৫ জন নারী এই গ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু কেন তারা নিজেদের জন্য আলাদা একটি গ্রাম গড়ে তুললেন? এর পেছনে রয়েছে এক শোকাবহ ইতিহাস।
গ্রামটির অবস্থান যেখানে, সেখানে একসময় নারীরা চরম নির্যাতনের শিকার হতেন। যারা এই গ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন, তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে পুরুষদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছিলেন—কেউ মানসিক নির্যাতনের শিকার, কেউ ধর্ষিতা, আবার কেউ গার্হস্থ্য সহিংসতার শিকার ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের জীবনে এমন সহিংসতা চলছিল।
এই পরিস্থিতিতে, তারা সিদ্ধান্ত নেন নিজেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলবেন, যেখানে পুরুষরা প্রবেশ করতে পারবেন না। নারীরা নিজেদের মতো জীবন যাপন করতে চাইলে গ্রামটি গড়ে ওঠে, এবং এর পর থেকে গ্রামে পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে উমোজা গ্রামে প্রায় ২৫০ জন নারী ও তাদের সন্তান বসবাস করছে। গ্রামবাসীরা নিজেদের জীবিকা নির্বাহের জন্য গয়নাগাঁথন তৈরি করে তা পর্যটকদের কাছে বিক্রি করেন। তবে, গ্রামে শুধুমাত্র নারী পর্যটকরাই প্রবেশ করতে পারেন।
এছাড়া, সঙ্গী নির্বাচনেও নারীরা স্বাধীন। তবে, তারা কোনো পুরুষকে গ্রামে আনতে পারেন না; সম্পর্ক গড়তে হলে তা গ্রাম থেকে বাইরে হতে হবে। এই সম্পর্ক থেকে যদি কোনো নারী অন্তঃসত্ত্বা হন, তার পরিচর্যা গ্রামটির বয়স্ক নারীরা করেন। পুত্র সন্তান হলে, সে কেবল নাবালক থাকতে পারে, সাবালক হলে তাকে গ্রাম ছাড়তে হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ