ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ ২২৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জানে আলমের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে পুকুর ভরাট করে পরিবেশ দূষণ ও ক্ষতির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।
সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস নামের একজন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার সময় রাজশাহী সিনিয়র চীফ জুডিশিয়িাল ম্যাজিস্টেট আবু তালেবের আদালতে সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬ (ঙ) ধারায় মামলাটি করেন। মামলায় ইউএনও ছাড়াও অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী ইউনিয়নের পরমানন্দপুর মৌজায় একটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। শূন্য দশমিক ৫৮ একরের এই পুকুরটি ১৮৮ নম্বর জেএল এর ২৮৫ নম্বর দাগে অবস্থিত। এটি এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তি। উপজেলা ভূমি অফিসের খাতার রেকর্ড অনুযায়ী, এই জমির শ্রেণি পুকুর। এই পুকুরটিই ভরাট করছে উপজেলা প্রশাসন।

মামলার বাদী সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস জানায়, তাঁর পক্ষে মামলাটি ফাইলিং করেছেন আইনজীবী রায়হান কবীর। আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু তালেব মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ২২ মে শুনানির জন্য দিন ঠিক করেছেন। সেদিন পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শকের উপস্থিতিতে শুনানি হবে।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মো. জানে আলম বলেন, তিনি এখনও জানেন না। তিনি দাবি করেন, যেখানে মাটি ফেলা হচ্ছে সেখানে কোন পুকুর নেই। স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু অনেক আগেই পুকুর ভরাট করে নিজেরা ভোগদখল করতেন। তারা সেটি উদ্ধার করেছেন। এখন হয়রানি করার জন্যই আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জানে আলমের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে পুকুর ভরাট করে পরিবেশ দূষণ ও ক্ষতির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।
সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস নামের একজন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার সময় রাজশাহী সিনিয়র চীফ জুডিশিয়িাল ম্যাজিস্টেট আবু তালেবের আদালতে সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬ (ঙ) ধারায় মামলাটি করেন। মামলায় ইউএনও ছাড়াও অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী ইউনিয়নের পরমানন্দপুর মৌজায় একটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। শূন্য দশমিক ৫৮ একরের এই পুকুরটি ১৮৮ নম্বর জেএল এর ২৮৫ নম্বর দাগে অবস্থিত। এটি এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তি। উপজেলা ভূমি অফিসের খাতার রেকর্ড অনুযায়ী, এই জমির শ্রেণি পুকুর। এই পুকুরটিই ভরাট করছে উপজেলা প্রশাসন।

মামলার বাদী সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস জানায়, তাঁর পক্ষে মামলাটি ফাইলিং করেছেন আইনজীবী রায়হান কবীর। আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু তালেব মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ২২ মে শুনানির জন্য দিন ঠিক করেছেন। সেদিন পরিবেশ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শকের উপস্থিতিতে শুনানি হবে।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও মো. জানে আলম বলেন, তিনি এখনও জানেন না। তিনি দাবি করেন, যেখানে মাটি ফেলা হচ্ছে সেখানে কোন পুকুর নেই। স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু অনেক আগেই পুকুর ভরাট করে নিজেরা ভোগদখল করতেন। তারা সেটি উদ্ধার করেছেন। এখন হয়রানি করার জন্যই আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা করেছেন।