গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা এবং তাদের যুদ্ধযন্ত্রকে থামিয়ে দিতে পারে বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়। শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি এ মন্তব্য করেছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় আজ ফিলিস্তিনি জাতির জন্য বিশ্বের – বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর কার্যকর সমর্থন প্রয়োজন। কাতারের আমিরের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি আজ একথা বলেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রায়িসি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘যুদ্ধযন্ত্র, অপরাধ ও গণহত্যা’ অবিলম্বে বন্ধ করতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রায়িসি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল সানি’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে মজলুম ফিলিস্তিনি জাতিকে সমর্থন ও সহায়তার বাস্তব সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন।
ইসরায়েলকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সরকারগুলো একযোগে সমর্থন দেওয়ার অর্থ হলো ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের সবুজ সংকেত দেওয়া। প্রেসিডেন্ট রায়িসি এখন মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের ওপর ভীষণ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জাতিকে নির্মূল করার ইসরায়েলি যুদ্ধযন্ত্রকে অকেজো করে দেওয়ার জন্য মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের বিকল্প নেই।
ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের হত্যার ক্ষেত্রে ইসরায়েলিদের অপরাধযজ্ঞ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন রায়িসি। তিনি বলেন, গাজার পানি ও বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য ও ওষুধ প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। মানবিক বিপর্যয়কর একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মজলুম ফিলিস্তিনীদের বংশ নিধন করা হচ্ছে। এ অবস্থায় মুসলিম দেশগুলোর সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি ফিলিস্তিনের জনগণের সমর্থনে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ ও সুস্পষ্ট অবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইরানি প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনকে এসব অপরাধের জন্য এই দেশগুলোর সবুজ সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। ফোনালাপে কাতারের আমিরও বলেন, মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যই ইসরায়েলি যুদ্ধযন্ত্রকে থামাতে পারে।
সূত্র : প্রেস টিভি