ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খড়ের মতো উড়ে গেছে গাড়ি-বাড়ি, যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বেড়ে ২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

ভয়ংকর টর্নেডোয় বিধ্বস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি। শুক্রবার গভীর রাতে শক্তিশালী টর্নেডোর দাপটে তছনছ হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। খড়ের মতো উড়ে গেছে বহু বাড়ি। এমনকি গাড়ি উড়ে গিয়ে পড়েছে ঘরের ওপর। এতে এখন পর্যন্ত নিহত বেড়ে ২৬ জনে পৌঁছেছে। আহত ও নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকজন।

এখনও উদ্ধারকাজ করছেন পুলিশ এবং দমকল বিভাগের কর্মীরা। টর্নেডোর ঠিক আগে চোখের সামনে এই দুর্ঘটনার আঁচ পেয়ে ক্যামেরার সামনেই ভেঙে পড়তে দেখা যায় এক আবহাওয়াবিদকে।

প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। টর্নেডো আঘাত হানার সময় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। লাগাতার বজ্রপাতেও মৃত্যু হয়েছে মানুষের।

টর্নেডোয় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিসিসিপির রোলিং ফর্ক শহর। ১৮০০ জনের বেশি লোক রোলিং ফর্কে বসবাস করেন। শহরটির মেয়র এলড্রিজ ওয়াকার বলেন, ‘এই মুহুর্তে আমি যে ক্ষতির মূল্যায়ন করতে পেরেছি তা থেকে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় টর্নেডো ছিল এবং এটি শহরকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এমন ভয়ংকর ঝড় আগে কখনও দেখেনি। আমাদের শহর ছোট্ট কিন্তু সুন্দর। ঝড়ের পর তা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।’

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, টর্নেডোর আঘাত হানার আগে খুব শান্ত ছিল পরিবেশ। এরপর হঠাৎ করেই সবকিছু অন্যরকম হয়ে যায়। পিষ্ট হয়ে যাওয়া গাড়ি, ইট এবং কাচের আবর্জনায় ভরে গেছে রাস্তায় – প্রায় সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে শহরটি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টর্নেডো বিধ্বস্ত অঞ্চলের জন্য সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি এই দুর্ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ হিসাবে বর্ণনা করে বলেছেন, ফেডারেল সরকার ‘যথাসাধ্য সহায়তা করবে’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খড়ের মতো উড়ে গেছে গাড়ি-বাড়ি, যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বেড়ে ২৬

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩

ভয়ংকর টর্নেডোয় বিধ্বস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি। শুক্রবার গভীর রাতে শক্তিশালী টর্নেডোর দাপটে তছনছ হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। খড়ের মতো উড়ে গেছে বহু বাড়ি। এমনকি গাড়ি উড়ে গিয়ে পড়েছে ঘরের ওপর। এতে এখন পর্যন্ত নিহত বেড়ে ২৬ জনে পৌঁছেছে। আহত ও নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকজন।

এখনও উদ্ধারকাজ করছেন পুলিশ এবং দমকল বিভাগের কর্মীরা। টর্নেডোর ঠিক আগে চোখের সামনে এই দুর্ঘটনার আঁচ পেয়ে ক্যামেরার সামনেই ভেঙে পড়তে দেখা যায় এক আবহাওয়াবিদকে।

প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা এলাকা। টর্নেডো আঘাত হানার সময় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। লাগাতার বজ্রপাতেও মৃত্যু হয়েছে মানুষের।

টর্নেডোয় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিসিসিপির রোলিং ফর্ক শহর। ১৮০০ জনের বেশি লোক রোলিং ফর্কে বসবাস করেন। শহরটির মেয়র এলড্রিজ ওয়াকার বলেন, ‘এই মুহুর্তে আমি যে ক্ষতির মূল্যায়ন করতে পেরেছি তা থেকে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় টর্নেডো ছিল এবং এটি শহরকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এমন ভয়ংকর ঝড় আগে কখনও দেখেনি। আমাদের শহর ছোট্ট কিন্তু সুন্দর। ঝড়ের পর তা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।’

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, টর্নেডোর আঘাত হানার আগে খুব শান্ত ছিল পরিবেশ। এরপর হঠাৎ করেই সবকিছু অন্যরকম হয়ে যায়। পিষ্ট হয়ে যাওয়া গাড়ি, ইট এবং কাচের আবর্জনায় ভরে গেছে রাস্তায় – প্রায় সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে শহরটি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টর্নেডো বিধ্বস্ত অঞ্চলের জন্য সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি এই দুর্ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ হিসাবে বর্ণনা করে বলেছেন, ফেডারেল সরকার ‘যথাসাধ্য সহায়তা করবে’।