• রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিসিবি-আইসিসি বৈঠক// বিশ্বকাপে ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অটল বাংলাদেশ বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকারদের ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন এখনো অধরা পরিবারের বিপিএল থেকে ঢাকাকে বিদায় করে প্লে-অফে রংপুর তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে দলীয় ১৫ নেতাকর্মী খুন, বিএনপির ১২ জন বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম, পাথরঘাটা পৌর জামায়াত আমির কারাগারে জামাতের সাথে গোপন বৈঠকের কথা স্বীকার করলো ভারত আত্রাই নদীতে মৎস্য অভয়াশ্রমে চোর ধরতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন অবশেষে পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, জানুয়ারি থেকেই কার্যকর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক

খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তার নামকরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: / ৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিশিগানের হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে খালেদা জিয়ার নামেই পরিচিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করে।

শহর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

মূলত, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাবটি সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয়। প্রবাসীদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নতুন পরিচয় নয়, বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের এক আন্তর্জাতিক দলিল।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল।

বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা এই অর্জনে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এটি প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সক্ষমতারও একটি বড় প্রমাণ।

প্রসঙ্গত, হ্যামট্রমিক শহরটি তার বৈচিত্র্যময় জনপদের জন্য পরিচিত এবং সেখানে বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নামে সড়কের নামকরণ দুই দেশের মধ্যকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছেন অনেকেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ