এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে; পৈত্রিক জমি পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের পুবের বিলে পৈতৃক জমি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী এ জমি পরিদর্শন করেন।

জলাভূমির অন্তর্গত এ অঞ্চলের জমিগুলো বছরের ৮-৯ মাসই পানির নিচে থাকে। ভাসমান বেডে সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষ করে এসব জমি চাষ উপযোগী করে তোলার ব্যাপারে নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সব অনাবাদি পতিত জমিতে চাষাবাদের জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান। তিনি আবারও সবার প্রতি আহ্বান জানান, কোথাও এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার নামে খুলনা জেলার ভৈরব নদীর পাড়ে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি কিনেছিলেন। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্পত্তির মালিক হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবদ্দশায় এখানে পাটের গোডাউন ও এক কক্ষ বিশিষ্ট ঘর ছিল, যা তার ছোট ভাই শেখ আবু নাসের দেখাশোনা করতেন। বর্তমানে পুরোনো গুদামঘর ভেঙে একটি আধুনিক গুদামঘর ও একটি গেস্ট হাউস নির্মাণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে; পৈত্রিক জমি পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৩

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের পুবের বিলে পৈতৃক জমি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী এ জমি পরিদর্শন করেন।

জলাভূমির অন্তর্গত এ অঞ্চলের জমিগুলো বছরের ৮-৯ মাসই পানির নিচে থাকে। ভাসমান বেডে সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষ করে এসব জমি চাষ উপযোগী করে তোলার ব্যাপারে নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সব অনাবাদি পতিত জমিতে চাষাবাদের জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান। তিনি আবারও সবার প্রতি আহ্বান জানান, কোথাও এক ইঞ্চি জমিও যেন খালি না থাকে।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান আমলে তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার নামে খুলনা জেলার ভৈরব নদীর পাড়ে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি কিনেছিলেন। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্পত্তির মালিক হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবদ্দশায় এখানে পাটের গোডাউন ও এক কক্ষ বিশিষ্ট ঘর ছিল, যা তার ছোট ভাই শেখ আবু নাসের দেখাশোনা করতেন। বর্তমানে পুরোনো গুদামঘর ভেঙে একটি আধুনিক গুদামঘর ও একটি গেস্ট হাউস নির্মাণ করা হয়েছে।