ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদুল আযহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময় : বিএনপি নেতা শরিফ উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক//
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজশাহীর গোদাগাড়ী-তানোরসহ দেশ ও বিশ্বের সমগ্র মুসলিমদের ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন গোদাগাড়ী-তানোরের বিএনপির অভিভাবক ও বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো: শরিফ উদ্দিন। একই সঙ্গে সকলের জীবনে আনন্দ কামনা করেন তিনি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় শরিফ উদ্দিন বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমি গোদাগাড়ী-তানোরসহ দেশ ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করি। আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ব্রতী হওয়াই কোরবানির মর্মবাণী। পশু কোরবানির পাশাপাশি মনের পশু কোরবানি দিয়ে জীবন-যাপনে স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে ব্রতী হওয়া আমাদের কর্তব্য। কোরবানির সে শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।
তিনি বলেন, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সমাগত। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য, অকুণ্ঠ আত্মত্যাগ ও অগাধ ভালোবাসার যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। তাঁরই নিদর্শন স্বরুপ আমরা আল্লাহতায়ালার সন্তুুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানী করি।
বিএনপি নেতা শরিফ উদ্দিন বলেন, আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়ে আসছে। স্রষ্টার প্রতি নি:স্বার্থ আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রতি বছর পশু কোরবানি দেয়। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা যোগায়। কোরবানির ঈদ বিশ্ব মুসলিমের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যেকোনো উৎসব বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য নয়, উৎসবের রয়েছে একটি সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য। উৎসব মানবজাতির এমন এক সাগর তীর যেখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সকলই সামিল হতে পারে। তাই স্বার্থচিন্তা পরিহার করে মানব কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে সচেষ্ট হতে হবে। আসুন, আমরা অঙ্গীকার করি-এই ‘ত্যাগের উৎসবের’ দিনে অসহায়-নিরন্ন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার।
তিনি বলেন, ‘ঈদুল আযহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঈদুল আযহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময় : বিএনপি নেতা শরিফ উদ্দিন

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজশাহীর গোদাগাড়ী-তানোরসহ দেশ ও বিশ্বের সমগ্র মুসলিমদের ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন গোদাগাড়ী-তানোরের বিএনপির অভিভাবক ও বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো: শরিফ উদ্দিন। একই সঙ্গে সকলের জীবনে আনন্দ কামনা করেন তিনি।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় শরিফ উদ্দিন বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমি গোদাগাড়ী-তানোরসহ দেশ ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করি। আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ব্রতী হওয়াই কোরবানির মর্মবাণী। পশু কোরবানির পাশাপাশি মনের পশু কোরবানি দিয়ে জীবন-যাপনে স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে ব্রতী হওয়া আমাদের কর্তব্য। কোরবানির সে শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।
তিনি বলেন, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সমাগত। মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য, অকুণ্ঠ আত্মত্যাগ ও অগাধ ভালোবাসার যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। তাঁরই নিদর্শন স্বরুপ আমরা আল্লাহতায়ালার সন্তুুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানী করি।
বিএনপি নেতা শরিফ উদ্দিন বলেন, আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়ে আসছে। স্রষ্টার প্রতি নি:স্বার্থ আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রতি বছর পশু কোরবানি দেয়। এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা যোগায়। কোরবানির ঈদ বিশ্ব মুসলিমের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যেকোনো উৎসব বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য নয়, উৎসবের রয়েছে একটি সার্বজনীন বৈশিষ্ট্য। উৎসব মানবজাতির এমন এক সাগর তীর যেখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সকলই সামিল হতে পারে। তাই স্বার্থচিন্তা পরিহার করে মানব কল্যাণ এবং সমাজে শান্তি, ন্যায়, সুবিচার ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে সচেষ্ট হতে হবে। আসুন, আমরা অঙ্গীকার করি-এই ‘ত্যাগের উৎসবের’ দিনে অসহায়-নিরন্ন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার।
তিনি বলেন, ‘ঈদুল আযহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই’।