• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

অন্যকে নিয়ে সমালোচনার আগে নিজেদের কথা বলুন: যুক্তরাষ্ট্রকে কাদের

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ২০৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩

অন্যকে নিয়ে সমালোচনার আগে নিজেদের চিত্র দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রেও ত্রুটি আছে মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, ‘দেশে দেশে গণতন্ত্রের ত্রুটি আছে। যারা অভিযোগ করেছেন তাদের দেশেও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী ডোনান্ড ট্রাম্প আজ পর্যন্ত পরাজয় স্বীকার করেনি। অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার আগে নিজেদের কথা বলুন।’

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বংশাল ও কোতয়ালি থানার অন্তর্গত ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নং ওয়ার্ডের ইউনিটগুলোর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি, নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ভর্তি, বিরোধী দলের এজেন্ট এবং ভোটারদের ভয় দেখানোসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে পর্যবেক্ষকদের কাছে ওই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বলে বিবেচিত হয়নি।

স্থানীয় সময় সোমবার (২০ মার্চ) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। মার্কিন ওই প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রতিবেদনের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্নে হচ্ছে পৃথিবীর কোন দেশে গণতন্ত্র সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত। আমরাও সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নই। যুক্তরাষ্ট্রে স্পিকার নির্বাচিত করতেও ১৫ বার ভোট করতে হয়েছে। গণতন্ত্র কোথাও ত্রুটিমুক্ত নয়।

নিজেদের ভেতরের চিত্র দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিমাসে ৩-৪টি ম্যাস শুটিং হয়। কত শিশু, মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে। এসব ম্যাস গান শুটিং কি গণতন্ত্রের ওপর আঘাত নয়?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এখনো বলে ভোট চুরি হয়েছে। ভোট চুরির অপবাদ প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এখনো দিয়ে যাচ্ছে। আমরা নিজেদের পারফেক্ট বলছি না। আমরা আমাদের গণতন্ত্র ক্রমান্বয়ে ত্রুটিমুক্ত করছি। শেখ হাসিনা আইন করে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি। তবে অন্যের সমালোচনা করার আগে নিজেদের সমালোচনা করুন। সেটাই হবে যথার্থ।

বিএনপির সমাবেশ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সমাবেশে আমরা বাধা দিয়েছি এমন একটা উদাহরণ আছে? তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে কেন অবান্তর অভিযোগ? এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাষ্ট্রনেতার নাম শেখ হাসিনা। বেগম জিয়া তুচ্ছ করে বলেছিলেন শেখ হাসিনা একশ বছরেরও ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। আজ বেগম জিয়া কোথায় আর শেখ হাসিনা কোথায়। আল্লাহ যাকে বাঁচায়, মানুষ যাকে ভালোবাসে তাকে সরানো যায় না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনতার চোখে শেখ হাসিনা নয়নের মণি। বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মতো এতো কাজ আর উন্নয়ন কেউ করত পারেনি। গত ৪৮ বছরে বাংলাদেশে একজন সৎ রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। প্রশাসনের সবচেয়ে দক্ষ নেতা, সবচেয়ে সাহসী নেতার নাম ও সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এই জনপ্রিয়তাই শেখ হাসিনার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনপ্রিয়তার জন্য তিনি বাংলাদেশের শত্রুদের টার্গেট হয়েছেন। তারা জানে নির্বাচন হলে হারানো যাবে না। শেখ হাসিনা সুষ্ঠু নির্বাচনে হারবেন না। সেজন্য তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। সুত্রঃ ঢাকা মেইল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ