২০০৭ সালে সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল এসি মিলান। সপ্তমবারের মত ইউরোপ সেরার ট্রফি জয়ের পথে সেবার ফাইনালে লিভারপুলকে হারিয়েছিল ইতালির ক্লাবটি। এর আগে ২০০৩ সালেও এ শিরোপা জিতেছিল মিলান। দুবারই সান সিরোর ক্লাবটির প্রধান কোচ ছিলেন কার্লো আনচেলত্তি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গতকালও মাঠে নেমেছিল এসি মিলান। তবে এবার ডাগ আউটে ছিলেন না আনচেলত্তি, বরং আনচেলত্তি ছিলেন প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদের ডাগ আউটে। আর রিয়ালের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিজের প্রাক্তন ক্লাবের কাছেই হেরে গেছে আনচেলত্তির বর্তমান দল।
বার্নাব্যুতে রিয়ালকে কাল ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত করে জিতেছে মিলান। মালিক চিয়াওয়ের গোলে মিলান প্রথমে লিড নেয়ার পর রিয়ালকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর সফরকারীরা আরও দুই গোল পেলেও রিয়াল আর জালের দেখা পায়নি স্প্যানিশ জায়ান্টরা। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের হারের স্বাদই পেতে হয়েছে ১৫ বারের শিরোপাধারীদের।
লা লিগায় নিজেদের সবশেষ ম্যাচে বার্সেলোনার কাছে ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় রিয়াল। এরপর গতকাল নিজের অতীত ক্লাবের কাছে বর্তমান ক্লাব এভাবে হারায় দল নিয়ে দুশ্চিন্তায় আনচেলত্তি। লস ব্লাঙ্কোসরা যে ভালো খেলছে না তা ম্যাচ শেষে লুকোননি ইতালিয়ান এই কোচ।
ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, ‘দল ভালো খেলছে না। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকাটাই স্বাভাবিক। দলের খেলায় একেবারেই ছন্দ নেই। আমরা অনেক বেশি গোলও হজম করছি। মাঠে দল পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারছে না। এই ব্যাপারগুলো আমাদের ঠিক করতে হবে। নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে নিজেদেরই ভাবার সময় এসেছে। সব টুর্নামেন্টেই যেন আমরা লড়াইয়ে ফিরতে পারি সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে।’
নিজেদের সবশেষ ৩ ম্যাচে রিয়াল হজম করেছে ৯ গোল যা নিয়ে নিজের দুশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘আমরা সবশেষ তিন ম্যাচে ৯ গোল হজম করেছি। আমাদের জন্য এটা অনেক।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলগতভাবে আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। মাঠে কিছু একটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা নিজেদের সেরা খেলা থেকে অনেক দূরে আছি। আমরা অনেক বেশি গোল হজম করেছি শেষ কিছু ম্যাচে। সমালোচনা মাথা পেতে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা ভালো কিছু করে মৌসুমটা ভালোভাবে শেষ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি এই দলটা ঘুরে দাঁড়াবেই।’